স্থিরতার শেষে……3

মাদ্রিদ, স্পেন।
“মাদ্রিদ” নামটা শুনলেই আমার দেশের অনেকের মানসপটেই ভেসে উঠে রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাবের সাদা জার্সি গায়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা (বান্দা ততদিনে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে দিয়েছিলো, পরে জেনেছিলাম)। এখানে না এলে আপনি আসলে বুঝবেন না, মাদ্রিদ কি জিনিস।
মাদ্রিদ আদতে বিশাল একটা শহর এবং স্পেনের রাজধানী। স্পেন দেশটার সম্বন্ধে ধারণা পেতে হলে আমাদের প্রতিবেশী ভারতকে দেখতে পারেন। উত্তরে শিমলা, মানালি আর বরফ; দক্ষিণে গোয়া বিচ আর উষ্ণতা। একেক অঞ্চলে সংস্কৃতি একেকরকম। 
স্পেনেও তাই। উত্তর স্পেনে ঠাণ্ডা, দক্ষিণে বেশ উষ্ণ এবং সংস্কৃতি পুরোপুরি ভিন্ন। সে যাক, ভ্রমণকাহিনী লিখতে বসি নি। নিজের কাহিনী বলে কুল পাচ্ছি না! মাদ্রিদ পড়েছে মধ্য স্পেনে। তাই বলা যায় এখানে অনেকটা ঘুঁটা লেগেছে, মানে সমগ্র স্পেনের ছোঁয়াই মাদ্রিদে পাবেন অল্প অল্প করে। বাকি গল্প বলে যাই, তারমধ্যেই উঠে আসবে স্প্যানিশ রীতিনীতি এবং জীবনযাত্রা বিষয়ক অনেক কথা। 
মাদ্রিদের বিমানবন্দরটা অসাধারণ। যেমন জমকালো লাইটিং, তেমনই তার রূপ। মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়। নাম মাদ্রিদ বারাহাস এয়ারপোর্ট। প্যারিসের চার্লস দ্য গলের সাথে যৌথভাবে ইউরোপের বৃত্ততম এয়ারপোর্ট এটি, এবং স্বভাবতই মূল মাদ্রিদ শহর থেকে বাইরে। পরে শুনেছি এর সম্পূর্ণ আয়তন ৭৫০০ একর।
আমার ভ্রমণসঙ্গী তাপা এখানে আমাকে একটা ঘোল খাওয়ালো। আমাকে একা ফেলে রেখে গায়েব হয়ে গেলো।
গ্যাঁড়াকলে পড়লাম। শত্রুদের শহর এই মাদ্রিদ। মাথার ওপর বাউন্টিও আছে। ওদিকে ছদ্মবেশও অত ভালো হয় নি যে শত্রুর নজর এড়িয়ে যেতে পারবো।
বিমানবন্দর এলাকা থেকে দ্রুত সটকে পড়তে হবে, বুঝলাম। আম্ব্রা ব্যবহারকারী হবার কারণে আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বেশ সজাগ থাকে। থুক্কু, সপ্তম ইন্দ্রিয় বলতে হবে। “সময়” তো আমার একটি ইন্দ্রিয়ই।
স্পেনে ইউরোই চলে। আলফান্সোর পকেট থেকে একগাদা হাতিয়ে নিয়েছিলাম। ফ্যান্তাসমো ক্ষমতার ব্যবহার থেকে বিরত থেকে এয়ারপোর্ট সংলগ্ন সাবওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠলাম। 
আমি একজন ক্রোনয়েড, বা সময় মানব। মানুষের মতনই, কিন্তু আমার আরও একটা ইন্দ্রিয় আছে, সময়। আম্ব্রা আর ফ্যান্তাসমো আমার দু’টি ক্ষমতা। প্রথমটা আমার ভেতরে থাকা একটি কালো ছায়া, অন্যটি ব্যবহার করে আমি পায় অদৃশ্য, হলদেটে ভরহীন পদার্থে পরিণত হই। কিন্তু এসব ক্ষমতা ব্যবহার করলে অন্যসব ক্রোনয়েডদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। এই বিদেশ বিভূঁইয়ে প্রায় সবাইই আমার শত্রু। 
মাদ্রিদের শহরকেন্দ্রের স্টেশন থেকে প্রায় আঠারো কিলোমিটার দূরে। ট্রেনে চড়েই আমার মাথায় একটা চিন্তা এলো, সাজিদকে যদি প্যালাসিয়োরা হত্যা করে থাকে, তাহলে সাজিদ আমার কাছে এসে আমার এম্বলেম দে হোরাকে পরিস্ফুট করে দিয়ে গেলো কেন? আর কেনই বা ওর ডায়েরিতে হোটেল লা ম্যাগনিফিকো বা প্যালাসিয়োদের ঘাঁটির কার্ড সাঁটানো ছিলো?
উঁহুহ, তাপার বক্তব্য মিলছে না। ঐ শালা বাউন্টি হান্টার হারামজাদাকে বিশ্বাস করাই ভুল হয়েছে। যদি একবার হাতের কাছে পাই, আম্ব্রা দিয়ে ওকে আমড়া ভর্তা বানাবো, মনে মনে পণ করলাম।
স্পেনে আমি মূলত এসেছি আমার মা’কে খুঁজে বের করতে। এসে তো মনে হয় বিপদেই পড়েছি। পকেটে হাজারখানেক ইউরো আছে বটে, কিন্তু সেটা শেষ হলে আমি ধ্বংস। ফোনও সাথে নেই। আলফান্সোদের দেয়া ফোনটাও ফেলে দিয়েছি, পাছে কেউ ট্র‍্যাক করে। যেই আমি এক সিম্ফোনির দুই জিবি র‍্যামের ফোন তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চালিয়েছি, সেই আমি মাত্র কয়েকদিন ব্যবহারের পর একটি আইফোন টেন আরেকটি স্যামসাং নোট নাইন ফেলে দিয়েছি, ভাবা যায়?
আপাতত সাজিদের ডায়েরির মর্মোদ্ধার করতে হবে, যতটুকু বুঝলাম। সত্য হোক, মিথ্যে হোক, ওটার বক্তব্য জানতে হবে। নিজের স্প্যানিশও উন্নত করতে হবে। ছেড়ে দিলে চলবে না। 
পকেটের কয়েক হাজার ইউরো আসলে কিছুই না। বসে বসে খেলে রাজার ভাণ্ডারও ফুরিয়ে যায়। তাই ব্যবস্থা যত দ্রুত পারি করতে হবে। মাদ্রিদ শহরের সাথে ঢাকা শহরের একটা মিল আছে, যে যার মতো ছুটছে। কারও কোন মাথাব্যথা নেই আশপাশ নিয়ে। যতক্ষণে আমি মাদ্রিদের কেন্দ্রে এসে পৌঁছুলাম, ততক্ষণে সূর্য ডুবে গেছে। 
ঐতিহ্য কি করে ধরে রাখতে হয়, তা মাদ্রিদ শহর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শেখা উচিৎ। ১৫০০-১৬০০ শতাব্দীতে তৈরি ভবনগুলো তার সমগ্র জৌলুশ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারমানে এই না, যে নতুন কোন ভবন নেই। কাঁচে ঘেরা কর্পোরেট দালানও আছে বেশ। ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, সাবওয়ে, বার্গার কিং, স্টেক অ্যান্ড শেকও চোখে পড়ে। আমি তন্ময় হয়ে ঘুরতে লাগলাম। খাবারের দোকান থেকে ভেসে আসা খুশবুর দরুন পেটে আর্টসেলের কনসার্ট শুরু হয়ে গিয়েছে। তাড়াতাড়ি এলাকা ত্যাগ করে একটু নির্জন দিকে চলে গেলাম। আন্দাজে এক গলির পর আরেক গলিতে ঢুকেছি। হেঁটে হেঁটে ক্ষিধেটা বেড়ে গেলো। চিন্তা করলাম, একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকে গেলেই পারতাম। পরে না হয় সস্তার খাবার খুঁজতাম।
এমন সময়ে একটা জিনিস খেয়াল করলাম। 
সামনের দু’টো বিল্ডিং এর মাঝখানে বেশ চওড়া একটা জায়গা আছে। সেটা আবার চেনলিঙ্ক ফেন্সের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দু’টো মেয়ে সেই ফেন্সের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। আচমকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা দুইজন লোক মেয়ে দু’টোকে জাপটে ধরলো। বেড়াটা আগে থেকেই কেটে রাখা হয়েছিলো, মেয়েদু’টোর মুখ চেপে ধরে নিমিষেই বেড়ার ওপারে অদৃশ্য হয়ে গেলো। 
শিট!
সাতপাঁচ না ভেবে আমিও দৌঁড়ে পেছন পেছন গেলাম। আগে না হয় ভেতো বাঙ্গালি ছিলাম। এখন তো আমার অনেক ক্ষমতা। নিজের লাগেজ, ব্যাকপ্যাক সামলে ঐ বেড়ার মাঝের গর্তে ঢুকতে যেয়েই আমার শার্টের হাতা খানিকটা ছিঁড়ে গেলো। কপাল!
ভেতরে ঢুকে দেখি, মানুষজন আসলে পাঁচজন। দু’জন মেয়েদু’টোকে ধরে রেখেছে, দু’জন ওদের পার্স হাতাচ্ছে। আরেকজন নেতা গোছের লোক, যে আমাকে আচমকা ঢুকতে দেখে বেশ অবাক হলো প্রথমে। 
ভেবেছিলাম ডায়ালোগ দিবে, “হিরো হতে যেও না” টাইপ। কীসের কী! মারদাঙ্গা স্টাইলে নিজে তো আমার দিকে ছুটে এলোই, দুই পার্সধারী চ্যালাকেও চেঁচিয়ে নির্দেশ দিলো আমাকে ধরতে। 
আর যায় কোথায়? 
হেঁ হেঁ! বাছাধন! সত্তর কেজি দিয়ে ডাম্বেল মারা হাত! শয়তান হলেও, প্যালাসিয়ো আর আলফান্সো ছিলেন আমার শিক্ষা গুরু। তোদের মতো দশটাও আমার কাছে কোন ব্যাপার না। বিশ্বাস করুন, একটা করে ঘুষি দিয়েছি। ব্যথার মধ্যে আমি একটাই পেয়েছি, তিন নাম্বারটার দাঁত আমার আঙ্গুলের গিঁটে গেঁথে গিয়েছিলো। লাগেজ আর ব্যাগ আগেই ফেলে দিয়েছিলাম (যদিও নোংরা গলিতে কাজটা করা ঠিক হয় নি)। তারপর একরকম উড়ে যেয়ে বাকি দু’টোকে ধরলাম। নিজের ছুরি বের করার আগেই একজন আমার একটি রাম ঘুষি খেলো। দ্বিতীয়জনের ছুরিওয়ালা হাতটা ধরে বোধহয় একটু জোরেই মুচড়ে দিয়েছি। কট করে শব্দ হলো। সে কি গগনবিদারী চিৎকার! বিরক্ত লাগছিলো। শালাকে এক রাম চটকনা মেরে চুপ করিয়ে দিলাম। 
মেয়ে দু’টো ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলো।
“তোমরা ঠিক আছো?” ভাঙ্গাচোরা স্প্যানিশে বললাম।
একটা মেয়ের চটকা ভাঙ্গলো। সে এগিয়ে গেলো তার পার্সের দিকে। নিজের ফোনটা খুঁজে নিয়ে সবচেয়ে কাছে পরে থাকা দেহটার দিকে এগুলো। ব্যাটারা মনে হয় গোসল খুব একটা করে না, নাকমুখ কুঁচকে ফেললো বেচারি। 
লাইট মেরে কি যেন দেখলো সে লোকটার। চোয়ালটাও হাতে নিয়ে দেখলো। লোকটার দেহটা একবার কেঁপে উঠলো। আবার স্থির হয়ে গেলো।
“অবাক কান্ড!” বিড়িবিড় করে মেয়েটা বললো। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললো, “ তাড়াতাড়ি এখান থেকে চলো কেটে পড়ি। তুমি ওকে ধরো। প্রন্তো!”
আমার আর অন্য মেয়েটির ব্যাগট্যাগ সহ মেয়েটিকে ধরে আমরা আবার মূল রাস্তায় উঠে আসলাম। একটু জনবহুল জায়গা পর্যন্ত ওদের এগিয়ে দিলাম।
“বিদায় তাহলে। সাবধানে থেকো।“
“অ্যাই! কই যাচ্ছো?”
“এখানে অনেক লোকজন আছে, তোমাদের আর কেউ অতর্কিত আক্রমণ করবে না। আসি তাহলে, কেমন?”
“ইংরেজিতে বলো, তোমার স্প্যানিশ জঘন্য।“
হা করে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। তারপর দু’জনেই উচ্চস্বরে হেসে উঠলাম।
“ওটার অবস্থাও খুব একটা ভালো না,” ইংরেজিতে বললাম।
“কাজ চলবে। আমি প্যাট। আর ও আনহেলা। অ্যাঞ্জি ডাকতে পারো।“
স্প্যানিশরা ”J”কে “h” উচ্চারণ করে। মেয়ের নাম ইংরেজিতে Anjella হবে। 
“আমি…ফয়সাল। নাইস টু মিট ইউ।“
“লাইকওয়াইস। পাকিস্তানি?”
“গড ফরবিড, না! বাংলাদেশি।“
“এটা কোথায়?”
“ঐ সাউথ ইস্ট এশিয়াতেই। তোমাদের বোধহয় দেরী হয়ে যাচ্ছে।“
“আজব ছেলে তো তুমি! এতো কষ্ট করে বাঁচালে আমাদের, ধন্যবাদটুকুও বলতে দিবে না? চলো, আজকে আমাদের সাথে তাপাতে বের হবে।“
“তোমরা তাপাকে চেনো?”
“আরে স্পেনে থেকে তাপা চিনবো না? ইনফ্যাক্ট এই গলি থেকেই শুরু করা যায়।“
“তাপা জিনিসটা আসলে কি?”
প্যাট উত্তর না দিয়ে দেখিয়েই দিলো। তাপা আসলে একধরণের আড্ডা। সারা মাদ্রিদ জুড়ে অসংখ্য তাপা বার আছে। তারা ছোট ছোট সার্ভিং এ অ্যাপাটাইজার টাইপের খাবার আর মদ পরিবেশন করে। বন্ধুবান্ধব নিয়ে মানুষ যায়, একটা তাপা বারে কিছুক্ষণ খাওয়াদাওয়া-খোশগল্প করে, এরপর আরেক তাপা বারে যায়, হেঁটেহেঁটেই। এমনটি করতেই থাকে যতক্ষণ না পুরোপুরিভাবে পেট ভরে যায় আর মদের তৃষ্ণা মিটে যায়। এখন বুঝলাম ঐ ছাগলটার নাম তাপা কেন ছিলো। হালায় আস্ত পল্টিবাজ। তাপার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই, যখন খুশি বের হয়ে যাওয়া যায়। মেয়ে দু’টো তাপা’র উদ্দেশ্যেই বের হয়েছিলো। খরচ বাঁচাত শর্টকাট নিচ্ছিলো। ভেবেছিলো দুইজন তো একসাথে আছেই। তাতেই বিপত্তি।
সমস্যা হলো, ম্যাক্সিমাম তাপা বারের মূল আকর্ষণই পর্ক। ওটা তো খাইই না, মদও ছেড়ে দিসি। আমার নাম দেখেই মেয়েরা এই ব্যাপারে বেশ সচেতন ছিলো। আমি মূলত অক্সটেইল স্টু, কিউরড ভেজিট্যাবল আর চিকেন ললিপপ টাইপের ডিশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলাম।
অ্যাঞ্জিও বেশ সহজ হয়ে এসেছিলো। আলো আঁধারির মাঝে আমাদের তৃতীয় অথবা চতুর্থ তাপা বারে হঠাৎই আমার কানের বিপদজনক রকমের কাছে ঠোঁট নিয়ে এলো প্যাট। আমি তো লজ্জায় লাল। একটা বিলও আমাকে দিতে দেয় নি ওরা। 
“বলো তো, আমি ঐ গুন্ডাটাকে চেক করছিলাম কেন?”
“তোমার কিছু নিয়েছে কি না দেখতে?”
“উঁহুহ!” বলে তরল গলায় হেসে উঠলো প্যাট। লম্বা, ছিপছিপে একটা মেয়ে, মাথাভর্তি কোঁকড়া চুল। হাসলে খুবই সুন্দর দেখায়। একদম সুডৌল না হলেও, অনুন্নত নয় বুক। লো কাট জামাসহ আমার দিকে ঝুঁকে তার অনেকটাই দেখিয়ে বললো, “আমি ভেবেছিলাম ওটা স্টেজড।“
“মানে?”
“মানে আমাদেরকে ইম্প্রেস করতে ঐ গুন্ডাদেরকে তুমি আগে থেকেই টাকা দিয়ে রেখেছিলে। পরে ওদের সাথে মারের অভিনয় করে হিরো সাজতে চেয়েছিলে।“
“এখনও তা মনে হচ্ছে?”
“তাহলে এখানে আমাদের দু’জনের মাঝে তুমি কি করছো?”
“তাও কথা!”
“তুমি কি সুপারম্যান?” আমার বাইসেপ চাপতে চাপতে বললো প্যাট, “দেখি? ফোলাও তো!”
অনেক গাঁইগুঁই করে অবশেষে ফোলালাম। কয়েক রাউন্ড মদ পেটে যাওয়া তরল মেজাজের মেয়ে। সহজে ছাড়বে না।
“ওয়াও!” শিস বাজালো প্যাট, “এই অ্যাঞ্জি! ধরেই দেখ না!”
শুরু হলো দুজনের আমার শরীর টিপাটিপি। তাপা খেতে এসে যাকে বলে ভাপা পিঠা হয়ে যাচ্ছি আমি।
“এক ঘুষিতে তুমি মানুষের ম্যান্ডিবল দুইভাগ করতে তো পারো। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তুমি কতক্ষণ টেকো?”
“কীসে?”
“তাও বলে দিতে হবে? বিছানায় রে বাবা!” 
“কী!!!”
এই হলো মাদ্রিদে আমার প্রথম পাতানো বন্ধুরা। এই বন্ধুত্ব যে কই যেয়ে ঠেকে সেটা বলতে আসছি শীঘ্রই। আপাতত ব্যস্ত আছি। আলবিদা।

…চলবে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *