ভালবাশি শুধু তোমায়

এই এক বছরে আমি আপনার কাছে কিছু চাই নি আজ চাইছি, আমায় মুক্তি দেবেন প্লিজ?
প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতে বিলাসবহুল হোটেলে ক্যাণ্ডেল লাইট ডিনারের সময় স্ত্রীর মুখে এমন কথা শুনে অজান্তেই ভ্রু কুচকে গেলো হিমালয়ের। 
—অবাক হচ্ছেন নাকি বিরক্ত? 
—কোনোটাই নয় মেয়েরা এরকমই হয় আর জানেনই তো আমি মুক্তি দেওয়াতে অভ্যস্ত। 
—প্লিজ যাস্ট কিপ ইউর মাউথ শাট আপ
—এক্সকিউজ মি?আর ইউ অল রাইট?কার সাথে কথা বলছেন আপনি জানেন?
—আস্তে এটা আপনার বাড়ি নয় একটা পাব্লিক প্লেস এটা মাথায় রাখবেন সিন ক্রিয়েট করবেন না 
—সেটা হয়তো আপনি ভুলে যাচ্ছেন বাসায় চলুন এসব কথা বাসায় গিয়ে ক্লিয়ার করা যাবে আমার একটা প্রেস্টিজ আছে আপনার জন্য আমি সেটা নষ্ট হতে দিতে পারি না
—আমি এখান থেকে সোজা বাবার কাছে যাবো,আপনার বাসায় আমি কোনো ঝামেলা করতে চাই না,ফিরে গিয়ে ওই মানুষ গুলোকে আর কষ্ট দিতে বলেই কথা গুলো এখানে বলছি
—ওহ রিয়েলি!কষ্ট দিতে চান না?আমার বাবা যার কি না আপনার হাতের চা ছাড়া সকাল শুরু হয় না,নিজের ওষুধ টা আপনার শাসন ছাড়া খেতে পারে না,আমার মা যে কিনা আপনি ছাড়া একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না,আমার ছোট ভাইটা যার ভার্সিটির সমস্ত কথা আপনার কাছে না বললে পেটের ভাত হজম হয় না আপনি বলতে চাচ্ছেন আপনি চলে যাবেন এটা জানিয়ে তাদের কষ্ট দিতে চান না!গ্রেট,আপনার মতো মেয়েরা এটাই পারে, প্রথমে ভালো মানুষি দেখিয়ে সব্বাইকে নিজের উপর নির্ভরশীল করা আর তারপর ছেড়ে চলে যাওয়া।
—আপনি নির্ভরশীল হয়েছেন? 
—মানে?
—মানে আমি পেরেছি আপনাকে নির্ভরশীল করতে?আপনার মনে জায়গা করতে?আমি চলে গেলে আপনার কষ্ট হবে?
—ন্যাকামি করবেন না আমার সাথে একদমই।
—সেটাই, আমি আপনার সাথে ন্যাকামি করি,আপনার কাছে এটেনশন চাওয়াটা আমার ন্যাকামি,আপনার সারাদিনের ব্যাস্ততা শেষে আপনার সাথে বসে এককাপ চা খেতে চাওয়াটা ন্যাকামি,হঠাৎ আমার মন খারাপ হলে আপনার গা ঘেষে বসতে চাওয়াটা আমার ন্যাকামি, দিন শেষে আপনার কাছে ভালোবাসা চাওয়াটা আসলেই ন্যাকামি। 
—আপনাদের মতো মেয়েকে আমি ভালো করেই চিনি,এসব বড় বড় কথা বন্ধ করুন,এসব কিছুই আপনার চাই না আপনারা কেবল চান টাকা আপনার তো এসবের চাহিদা থাকার কথা না,আমি তো আপনার সব ডিমান্ড ফুল ফিল করি।
—হুহু হাসালেন,কজন মেয়েকে চেনেন আপনি?কাকে দেখেছেন?আমাকে কখনো জানতে চেয়েছেন?আপনি জানেন আমার প্রিয় রঙ কি? আপনি নাকি সব জানেন?আপনি জানেন আমার কি করতে ভালো লাগে?কবে কোন মেয়ে আপনাকে চাকরি না থাকায় কি বলে অপমান করেছে আপনার ভালোবাসার দাম দেয় নি আপনি তাই নিয়ে সব মেয়েকে এক কাতারে ফেলছেন? আপনি জেদ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন খুব ভালো কথা খুব টাকা ইনকাম করেছেন কিন্তু কি পেয়েছেন?কি আছে আপনার?
—কি নেই, আজ আমার বাড়ি গাড়ি টাকা সব আছে আমি চাইলে সব কিনতে পারি।
—সুখ কিনতে পারেন আপনি?যার জন্য এত কিছু সেই ভালোবাসা কিনতে পেরেছেন?বরং হারিয়েছেন আপনার কাছের মানুষ গুলোকে,আপনার বাবা মা আপনার সাথে কথা বলতে পারে না তারা আতঙ্কে থাকে কখন আপনি রেগে যান,আপনার ছোট ভাইটা তার সব চাহিদা আপনি পূরণ করেন কিন্তু সে আপনাকে ভয় পায় আপনি কি সুখী?মিঃ হিমালয় আহমেদ।আজ যে আপনি এখানে এসেছেন তাকি আমার জন্য?নাকি শুধু নিজের দায়িত্ব করতে আমায় বিলাসিতা উপহার দিতে,নিঃসন্দেহেআপনি একজন দায়িত্ববান মানুষ তবে আপনার মনে আছে কবে ভালোবেসে আমার হাতটা ধরেছেন? এই কথাগুলো আমি হুট করে বলছি না,এই এক বছর ধরে জমানো কথা,কে কবে আপনার মন ভেঙেছে যার জন্য কোনো দিন আপনি মন দিয়ে আমাকে আমার সংসার টা করতেই দেন নি, আপনি সবসময় থেকেছেন আমার ধরা ছোয়ার বাইরে,কখনো আমায় কাছে ডাকেন নি, আমার কাছে আসেন নি,যতবার আমি আপনার কাছে যেতে চেয়েছি আমায় দূরে সরিয়ে দিয়েছেন অপমান করেছেন এমন তো না আমি চেষ্টা করি নি একটা বছর আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি আপনার মনের দরজায় দেওয়া শক্ত করে দেওয়া খিল আমি খুলতে পারি নি,ভেবেছিলাম আমার ভালোবাসা আপনার সমস্ত কষ্ট আপনার পাওয়া সমস্ত দুঃখ ভুলিয়ে দেবে কিন্তু না আমি পারিনি আজও আপনি আপনার প্রাক্তন কে মনে রেখেছেন আপনার ঘৃণা তে থাকলেও সে আপনার মনে আছে,আমি নই,আজো আপনি আমার কাছে প্রথম দিনের মতোই আগন্তক আসলে আমি ব্যর্থ আমার ব্যর্থতা আমি মেনে নিয়ে আজ মুক্তি চাইছি।

একদমে মায়া কথা গুলো বলে ফুপিয়ে কেদে উঠলো, হিমালয় এবার সত্যি অবাক হয়ে চেয়ে আছে মায়ার দিকে,মেয়েটার মনে এত অভিমান এত অভিযোগ! গাঢ় নেভি ব্লু শাড়িতে দুধে আলতা গায়ের রঙের মায়াকে কি চমৎকার লাগছে হিমালয় কি এই প্রথম দেখছে!
—আমি আসছি, জানি আমার চলে যাওয়ায় আপনার জীবন থেমে থাকবে না আপনি ভালোই থাকবেন।

মায়া চলে যাচ্ছে, হিমালয় মনে হচ্ছে জমে গেছে ওর কি কিছু বলার ছিল?হয়তো ছিল কিন্তু বরাবরের মতই বলতে পারে নি।বিলটা মিটিয়ে আস্তে হিমালয় উঠে গেলো,মাথার মধ্যে যন্ত্রণা হচ্ছে,৪ বছর প্রেমের পর যখন মহুয়া এক বড়লোক কে বিয়ে করে নিয়েছিল হিমালয় কে অযোগ্য বলে অপমান করেছিল তখন হিমালয় মেনে নিতে পারে নি,জেদ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে আজকের হিমালয় আহমেদ হয়েছে,কোনো মেয়েকে বিশ্বাস করতে পারে না,কেমন রোবট হয়ে গেছে। বাড়ি ফিরে দেখলো বাবা মা আর মেঘ ঘুমায় নি সবার মুখ শুকনো ওরা কি জানে মায়া ফিরবে না আগের থেকেই সবটা জানতো?
—খুশি হয়েছিস ভাইয়া?ভাবি তো আজ তোর ইচ্ছেটা পূরণ করেছে তাই না?
—মেঘ
—চেচিয়ো না ভাইয়া প্লিজ আজ অন্তত তুমি কথা বলো না, 
হিমালয়ের মা কাদছেন, বাবা আস্তে উঠে মেঘকে বললেন 
—তোমার মাকে ঘরে দিয়ে এসো 
—কিন্তু বাবা,,, ভাবি?
—ঘরে যাও আমি তোমার ভাইয়ার সাথে কথা বলছি
হিমালয়ের বাবা ধীর পায়ে হিমালয়ের সামনে গিয়ে দাড়ালেন কাধে হাত রেখে বললেন,
—তোমার জীবনে একটা ট্রাজেডি হয়েছিল আমরা সবসময় তোমার পাশে ছিলাম,তুমি সফলতার শীর্ষে আজ সবটা পেয়েছো,কিন্তু মায়া? মেয়েটা সবসময় তোমার কাছে কেবল ভালোবাসা খুজেছে তুমি দিতে পারো নি এত সার্থকতার মাঝেও কি ব্যর্থ না? আমার কথাটা ভেবে দেখো একবার বাবা সবাই কে এক পাল্লায় মেপে দেখ না, আর এতদিনে মায়াকে তো তুমিও কিছুটা চিনেছ ও কেমন তা তুমিও জানো।আশা করি তুমি তোমার উত্তর পেয়ে যাবে নিজেকে প্রশ্ন করলেই,
হিমালয়ের বাবা সেখান থেকে চলে গেলেন, কিছুক্ষন সেখানে দাড়িয়ে থেকে হিমালয় ক্লান্ত পায়ে নিজের রুমে এলো,ড্রেস চেঞ্জ করার জন্য আলমারি খুলতেই বুঝতে পারলো ও ভুল করে মায়ার আলমারি টা খুলেছে মায়া কিছুই নিয়ে যায় নি ওর জিনসগুলো নাড়াচাড়া করতে গিয়ে শাড়ির ভাজে একটা ডায়রি খুজে পেলো হিমালয়, ডায়রিটা মায়ার কিছু পাতা উলটে দেখলো বেশিরভাগই হিমালয় কে নিয়ে লেখা

০৩ .০৪ .১৮
আজ আমি হিমালয়ের জন্য সেজেছি শুধু হিমালয়ের জন্য অথচ তিনি আমার দিকে চেয়েও দেখেন নি যখন দেখলেন এমন ভাব করলেন যেন আমি বড় কোনো অন্যায় করে ফেলেছি।
০৯ .০৫ .১৮
আমাদের বিয়ের ৪ মাস হওয়ার পরও আমরা একে অপরকে আপনি ডাকি,আমি আজ তুমি ডাকতেই হিমালয় খুব রেগে গেলেন আমায় বললেন নিজের সীমার মধ্যে থাকতে,আচ্ছা আমার সীমা টা কী?
২২ .০৯. ১৮
সারা জীবন অপেক্ষায় ছিলাম, কাউকে মনে গাথি নি,অপেক্ষায় ছিলাম স্বামীর সাথে একটা সুন্দর ভালোবাসার সংসার গরব কিন্তু না হয়তো আমার কপালে সেই সুখ নেই।হিমালয় আজো আমার কাছে আগন্তক…. 
১১ .১১. ১৮
আচ্ছা হিমালয় তুমি কি সত্যি আমায় চাও না আমি কি তোমার মনে কোথাও নেই?আমার ভালোবাসা কি সত্যি তুমি বোঝো না!

বোঝোনি আমার চাউনি বোঝোনি
কোনোদিনও তো তুমি 
একান্ত আমায় খুজেই দেখনি
নির্বোধ তুমি মলিন হাসির মানেই বোঝ না!
বলিনি আমি মুখে বলিনি 
তাই বলে কি তুমি চেয়েও দেখনি!
তবে কি তুমি শরীরী ভাষা 
পড়তে জাননা?
আমি তো জানি 
এর চেয়ে দীর্ঘ কোনো যবনিকা হয় না
পিঞ্জরে পিঞ্জর মিশিয়েও কি তুমি 
শুনতে পারো না? 
অন্তরে মম কি যাতনা!
তুমি কি কেবলই জানো শূন্যতা? 
শূন্যাকৃতির হ্রদে এত ঢেউ 
সেকথা কি তুমি কখনো জানো না!
এত কিছু অজানা তোমার 
তবে কি তুমি আজো কোনো আগন্তক না?

কবিতাটা পড়ে হিমালয়ের বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠল, এক্ষুনি মায়ার কাছে যাওয়ার দরকার ওকে ফিরিয়ে আনতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে,
ডায়েরি টা বন্ধ করলো হিমালয় ছুটে মায়ার উদ্দেশ্যে ড্রয়িং রুম পর্যন্ত আসতেই কলিংবেল বেজে উঠল, রাত ১১ টা বাজে এত রাতে কে আসবে ভেবে কিছুটা কৌতূহল নিয়ে দরজা খুলতেই অবাক হয় হিমালয়, মায়া!প্রচন্ড খুশি হলেও উচ্ছ্বাস আটকে গম্ভীর হয়ে মায়া কে জিজ্ঞেস করল,
—আবার ফিরে এলেন যে?এত বড় বড় কথা বলে যে গেলেন আমি তো ভাবলাম আর ফিরবেন না।
ছলছল চোখে হিমালয়ের চোখের দিকে এই প্রথম রাগ নিয়ে তাকালো মায়া
—ভাববেন না আপনার জন্য ফিরি নি,আপনিই যে আমার জীবনে একমাত্র ইম্পর্টেন্ট না সেটা বুঝতে পেরেছি বাসা পর্যন্ত তাই যেতে পারি নি, বাবার প্রেশারের ওষুধ টা খেয়েছেন কি না মা কাদছেন কি না কে জানে তাছাড়া হলদে রঙা টিশার্ট টা পড়লে মেঘ কে একদম ক্ষ্যাত ক্ষ্যাত লাগে ওটা পরে গেলে ইরার সাথে কালই ব্রেকাপ হয়ে যাবে এসব ভেবেই ফিরে এলাম 
—মানে কি মেঘ প্রেম করে নাকি!
—সরুন তো আমি বাকি সবার সাথে দেখা করে আসি
—আরে সন্ধ্যার সময়ই তো দেখা করে বের হলেন এমন ভাব কতদিন দেখেন না
—আপনি এত কথা বলছেন কেন?বরাবরের মত চুপচাপই থাকুন না, আমি আপনার সাথে কথা বলতে আগ্রহী নই
বলে গটগট করে মায়া ওর শ্বশুরের রুমে ঢুকে গেলো।
হিমালয় রুমে অপেক্ষা করছে মায়ার জন্য আজ মায়ার কাছে ক্ষমা চাইবে হিমালয় আজ মায়ার অপেক্ষার শেষ হবার পালা অথচ এই সময়টুকু কাটছেই না,থাকতে না পেরে রুম থেকেই ডাকলো মায়াকে মায়া চমকে উঠলো কখনো তো এভাবে ডাকে না হিমালয়!মায়ার শাশুড়ি বললেন
—যা মায়া আজ হয়তো তোর আগন্তক পরিচিত হতে চাচ্ছে
—থ্যাংক ইউ মা আপনারা সাহস না দিলে কথাগুলো আমি কখনোই ওনাকে বলতে পারতাম না
—সব কথা মনে চেপে রাখতে নেই ভাবি কিছু অভিমান উগলে দিতেই হয়
মায়া মুখ টিপে হেসে বলল,
—কৌশলে আজ ইরার কথাও জানিয়েছি 
মেঘ লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল,
ওই ঘর থেকে হিমালয়ের ডাক শোনা যাচ্ছে আবার
—মায়া
মায়ার শাশুড়ি আতঙ্কিত হয়ে বললেন 
—যাও মা আবার না রেগে যায়
—না হিমালয়ের মা আজ তোমার ছেলে আর রাগবে না।তুমি ঘরে যাও মায়া 
মায়া আস্তে সেখান থেকে উঠে রুমের দিকে গেলো,মায়া রুমে আসতেই দরজা আটকে দিল হিমালয় 
—অনেক হয়েছে ছোটাছুটি আসার পর থেকে পায়ে চাকা লাগিয়ে এ ঘর ও ঘর করছেন, আপনার সাথে আমার কথা আছে
—হ্যা হু এর বাইরে আমার সাথে আপনার কি কথা আছে?
হিমালয় মায়ার কাছে চলে এসেছে খুব কাছে যতটা কাছে এলে নিঃশ্বাসের শব্দ শোনা যায় ততটা কাছে, মায়ার হাত দুটো নিজের হাতে নিয়ে,কানের কাছে মুখ নিয়ে হিমালয় বলছে,
—কিছু ভুল করেছি হয়তো আমি
বদলে চলো স্বর্গ ঘুরিয়ে আনি
কিছুটা দোষ আমার,
আর কিছু হয়তো ছেলেমানুষি 
এক বাক্স অভিযোগ জমেছে 
দুজনের দুরত্ব বেড়ে হয়েছে অথৈ
চলো আজ সব অনুযোগ মুছে দেই
অভিমান ভুলে অপরিচিতা চলো 
আজ পরিচিত হই…….
এতদিনের জানা চলো বদলে দেই
আমি যে আজ আর আগন্তক নই

তোমার মতো ওতোটা কবিত্ব আমার বাকি নেই,ভার্সিটিতে দু এক কলি লিখতাম ৫ বছর হয়ে গেছে কবিতা আওড়াই না, মহুয়ার বিশ্বাসঘাতকতা মেনে নিতে পারি নি অনেকটা সময় নষ্ট করে ফেলেছি তোমার মূল্যবান একবছর আমি নষ্ট করেছি তবে এখনো এক মিনিট বাকি,
একটা গোলাপ কানে গুজে দিয়ে হিমালয় বলল
—বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা মায়াবতী। 
দেখবে এই আগন্তক তোমার 
কতটা কাছের হয়,
এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর 
সংসারটা উপহার দেব তোমায়…..

কি বলবে মায়া? কিছু বলতে পারছে না শুধু মাথাটা হিমালয়ের বুকে আস্তে ঠেকিয়েছে পরম নির্ভরতার স্থান ও আজ খুজে পেয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *